রবি ঠাকুরের নাটকে, এসেছিল নন্দিনী
আলো করে দাঁড়িয়ে ছিল পাতালের গভীরে
সেই আলোতে রাজা দেখেছিল এক নারী সুদর্শিনী ।
তারপর আর চোখ ফেরাতে পারেনি রাজা
বারে বারে তাকে পরখ করতে চেয়েছে
কখন যেন তাকে আপন করে নিয়েছে ।
অনেক চেষ্টা করেও নন্দিনী দেয়নি রাজাকে ধরা
উপায় ছিল না রাজার নন্দিনীকে ছাড়া ।
নন্দিনী ফাটকের বাইরে বের করতে চায় রাজাকে
মাটির উপরে বের করে টেনে আনতে চায়
ভালবাসার ছলে বলে কৌশলে যে কোন উপায় আজকে
কিন্তু বিধাতার লিখন কে জানে সে যে,
ভালোবাসে তার মনের মানুষ স্বপ্নের মানুষ রঞ্জন কে
এদিকে নন্দিনীর ভালোবাসায় রাজা ভুলতে বসেছে রাজপাট
মন্ত্রি পারিষদ সুযোগ বুঝে করছে ধনসম্পত্তি লুটপাট
একসময় রাজা নন্দিনীর টানে এসেছিল ফাটকের বাইরে,
বেরিয়ে দেখে সামনে দাঁড়িয়ে রঞ্জন নন্দিনী কইরে ?
রঞ্জন বলল আছে মোর পেছনে থাকবেও সারা জীবন
ক্রোধের আগুনে জ্বলে দিল শাস্তি রঞ্জন এর মরণ
নিষ্ঠুর খেলায় মাতল রাজা নন্দিনীকে পাবার
যে আসবে সামনে রঞ্জন এর মত হাল হবে আবার
ভেঙে চুরমার হল রাজার প্রেম ভালোবাসা ।
রাজার স্বপ্ন ভঙ্গ হলো এ আমি কি করলাম সর্বনাশ
চেয়েছিলাম ভালবাসতে কাছে টানতে পরখ করতে
চাইনি আমি আমার ভালোবাসার নন্দিনীকে হারাতে
হে ঈশ্বর ক্ষমা করো মোরে মেনে নেব নতজানু করে
শাস্তি হওয়াই উচিত এহেন কম্মে
মৃত্যু হোক আমার অপেক্ষা করব মিলন হবে পরজন্মে।

0 Comments